Barishal 8:13 am, Thursday, 12 March 2026

জিম্মি মুক্তির পরই গাজায় ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা ইসরায়েলের!

  • Reporter Name
  • Update Time : 10:45:41 pm, Sunday, 12 October 2025
  • 455 Time View

গাজা উপত্যকায় জিম্মিরা মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেখানকার ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের অবশিষ্টাংশ ধ্বংস করার পরিকল্পনা করেছে ইসরায়েল। রোববার (১২ অক্টোবর) ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ও নেতৃত্বে। খবর আল আরাবিয়ার।

আল আরাবিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজ বলেছেন, জিম্মিদের মুক্তির ধাপ শেষ হলেই হামাসের সব সুড়ঙ্গ ধ্বংস করাই হবে ইসরায়েলের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ অভিযান পরিচালনার জন্য সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছি আমি।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজের ভাষ্যমতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার পরবর্তী পর্যায়ে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং নিরস্ত্রীকরণের কাঠামোর অধীনে কথিত সুড়ঙ্গগুলো ধ্বংস করা হবে।
ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস গাজায় ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গের একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে। এ ধরনের সুড়ঙ্গ ব্যবহার করে ইসরায়েলের গোয়েন্দা নজরদারির বাইরে থেকে কাজ করার সুযোগ পায় তারা। এর মধ্যে কিছু সুড়ঙ্গ সীমানার বেড়ার নিচ দিয়ে ইসরায়েলে ঢুকে পড়েছে। এগুলো ব্যবহার করে ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালানোর সুযোগ পায় হামাস।

সংগঠনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার প্রথম ধাপ মেনে নিয়েছে। এর ফলে গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৩ অক্টোবর জীবিত ও মৃত ৪৮ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা। বিনিময়ে ইসরায়েল ২৫০ জন কারাবন্দীকে মুক্তি দেবে, যাদের মধ্যে কয়েকজন বড় হামলার জন্য দায়ী। সেই সঙ্গে ১৭০০ গাজাবাসীও মুক্তি পাবেন।

তবে হামাস এখনো পুরোপুরি নিরস্ত্রীকরণের প্রস্তাবে সম্মতি জানায়নি। জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হোসাম বাদরান এদিন জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ে অনেক জটিলতা ও সমস্যা রয়েছে।

Tag :
About Author Information

Popular Post

বরিশাল বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৬২.৫৭ শতাংশ

জিম্মি মুক্তির পরই গাজায় ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা ইসরায়েলের!

Update Time : 10:45:41 pm, Sunday, 12 October 2025

গাজা উপত্যকায় জিম্মিরা মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেখানকার ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের অবশিষ্টাংশ ধ্বংস করার পরিকল্পনা করেছে ইসরায়েল। রোববার (১২ অক্টোবর) ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ও নেতৃত্বে। খবর আল আরাবিয়ার।

আল আরাবিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজ বলেছেন, জিম্মিদের মুক্তির ধাপ শেষ হলেই হামাসের সব সুড়ঙ্গ ধ্বংস করাই হবে ইসরায়েলের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ অভিযান পরিচালনার জন্য সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছি আমি।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজের ভাষ্যমতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার পরবর্তী পর্যায়ে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং নিরস্ত্রীকরণের কাঠামোর অধীনে কথিত সুড়ঙ্গগুলো ধ্বংস করা হবে।
ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস গাজায় ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গের একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে। এ ধরনের সুড়ঙ্গ ব্যবহার করে ইসরায়েলের গোয়েন্দা নজরদারির বাইরে থেকে কাজ করার সুযোগ পায় তারা। এর মধ্যে কিছু সুড়ঙ্গ সীমানার বেড়ার নিচ দিয়ে ইসরায়েলে ঢুকে পড়েছে। এগুলো ব্যবহার করে ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালানোর সুযোগ পায় হামাস।

সংগঠনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার প্রথম ধাপ মেনে নিয়েছে। এর ফলে গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৩ অক্টোবর জীবিত ও মৃত ৪৮ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা। বিনিময়ে ইসরায়েল ২৫০ জন কারাবন্দীকে মুক্তি দেবে, যাদের মধ্যে কয়েকজন বড় হামলার জন্য দায়ী। সেই সঙ্গে ১৭০০ গাজাবাসীও মুক্তি পাবেন।

তবে হামাস এখনো পুরোপুরি নিরস্ত্রীকরণের প্রস্তাবে সম্মতি জানায়নি। জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হোসাম বাদরান এদিন জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায়ে অনেক জটিলতা ও সমস্যা রয়েছে।